কেশবপুরে ঘন কুয়াশায় জেঁকে বসেছে শীত, সূর্যের তেমন দেখা মিলেনি

আ.শ.ম. এহসানুল হোসেন তাইফুর, নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের কেশবপুরে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যের তেমন দেখা মিলেনি। সকালে দৃষ্টি কয়েক হাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। ঘন কুয়াশার কারণে আঞ্চলিক ও যশোর-চুকনগর সড়কে সকাল ১০ টার পরও যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যায়। কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ, মাঝে মধ্যে কুয়াশাগুলো বৃষ্টির মতো ঝরছে। জেঁকে বসেছে শীত। দুপুরের দিকে কিছু সময়ের জন্য সূর্য তার উপস্থিতি জানান দিলেও অল্প সময় পরই আবার হারিয়ে যায়।
কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতের মাত্রা বেড়েছে অনেক। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাসে জনজীবন অনেকটা থমকে দাঁড়িয়েছে। এতে সব চেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া স্বল্প আয়ের মানুষ। এতে বিপর্য¯Í হয়ে পড়েছে পুরো কেশবপুরের মানুষের জীবন-জীবিকা। তীব্র শীতে দিনমজুরদের ফসলের জমিতে কাজে যেতে কষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে বোরো ধান ÿেতে কাজ করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কৃষকরা। তীব্র শীতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। দুঃস্থ, অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ চরমে। জেঁকে বসেছে শীত। রবিবার রাত থেকে এই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
যশোর-চুকনগর সড়কের টিএনটি মোড় এলাকায় সকাল সাড়ে নয়টায় কথা হয় মোটর সাইকেল চালক সোহেলের সঙ্গে। তিনি চুকনগর থেকে যশোর যাচ্ছে। তিনি বলেন ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতের ভেতর মোটর সাইকেল দ্রæত চালানো যাচ্ছে না। তারপরও জরুরী কাজে বের হতে হয়েছে।
বড়েঙ্গা গ্রামের কৃষক নাসির উদ্দিন বলেন, মাঠে বোরো ÿেতে ধানের চারা রোপণ করতে গিয়েছিলাম। প্রচন্ড শীতের মধ্যে ঘন কুয়াশার সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস বইছে। সে কারণে কাজ না করে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছি।
আটÐা গ্রামের ব্যাটারী চালিত ভ্যান চালক হাবিবুর রহমান বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আজও ভ্যান নিয়ে সকালে ভাড়া খাটতে আসি। ৯টা বেজে গেলেও ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতের কারণে তেমন যাত্রী না পেয়ে ভাড়া খাটতে বাজারের দিকে যাচ্ছি।

Views: 55