কেশবপুরে ভাইপোর ফাঁদে পড়ে এক টিপসইয়ে চাচার ৬ শতক জমি হাতছাড়া

আক্তার হোসেন, ডেস্ক রিপোর্টার:
ভাইপোর পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে সম্পত্তি নিয়ে বিপাকে পড়ছে আপন চাচা আব্দুল মতলেব নামে এক বৃদ্ধ। ভাইপোর কথায় বিশ্বাস করে এক টিপসইয়ে হাতছাড়া হতে বসেছে ৬ শতক জমি। ঘটনাটি ঘটেছে কেশবপুর উপজেলার কাস্তা গ্রামে। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে প্রতারক ভাইপো ও জেসমিন নামে এক মহিলার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে চাচা আব্দুল মতলেব শেখ।

আব্দুল মতলেব শেখ তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, জে.এল.নং ৩৬ বাঁশবাড়িয়া মৌজার ১৮৮ আর.এস খতিয়ানে ৬০৯ ও ৬১৭ দাগে তার ৫৪ শতক জমির মধ্যে কবরস্থানের জমি ছিল ৬.৭৫ শতক। গত ০৯—০৩—২১ ইং তারিখ সকালে আপন ভাইপো কাস্তা গ্রামের আনার শেখ ও বাঁশবাড়িয়া কামরুল দফাদারের মেয়ে জেসমিন আক্তার তাকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে কেশবপুর দলিল লেখক অফিসের একটি কক্ষে বসিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে সাদা কাগজে তার টিপ সই নিয়ে নেয়। টিপ সই নেওয়ার বিষয়ে সন্দেহ হলে কেশবপুর থেকে বাড়ী ফিরে ঘটনাটি তার ছেলে মেয়েদেরকে জানাই। পরে ছেলেরা কেশবপুর রেজিঃ অফিসে খেঁাজ নিয়ে জানতে পারেন মূলত, ডাক্তার দেখানোর নামে টিপ সই দেওয়া কাগজটি ছিল উক্ত কবর স্থানের জায়গার দলিল। ভাইপো আনার ও জেসমিন আক্তার যোগসাজক করে ডাক্তার দেখানোর নাটক করে তার কবরস্থানের ৬.৭৫ শতক জমি প্রতারনার আশ্রায় নিয়ে জেসমিন আক্তারের নামে দলিল করিয়ে নেয়। তিনি লেখা পড়া না জানায় ভাইপো আনারের কথামত ডাক্তারের কাগজ ভেবে উক্ত দলিলে সই করে দেয়। উল্লেখিত ভাইপো নামধারী প্রতারকদের কবল থেকে তার হারানো সম্পত্তি ফেরত পেতে আব্দুল মতলেব শেখ বাদী হয়ে আনার ও জেসমিনের বিরুদ্ধে রবিবার কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে।

এব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম.এম আরাফাত হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তপূর্বব জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Views: 12